হালুম হালুম বাঘমামা

হালুম হালুম বাঘমামা আসছে দেখো তেড়ে । তাই দেখে শেয়াল মশাই পালায় লেজ নেড়ে ।

ঝুক্ ঝুক্ ঝুক্ রেলগাড়ি

ঝুক্ ঝুক্ ঝুক্ রেলগাড়ি চলছে সারাদিন । সেই তালেতে খোকন নাচে তা ধিন্-ধিন্-ধিন্ ।

বাণী

যতক্ষণ পথের ধূলা দুর্ভাগ্যবশত পথেই পড়িয়া রয় ততক্ষণ মানবচরণ মাড়ায় তারে বড়ই অবহেলায় । যখন পথের ধূলা উড়িয়া গিয়া মন্দিরে ঠাই পায় তখন মানব তারে শিরে মাখিয়া সহস্র চুমু খায় ।

সান্ত্বনা

বারোটা বাজে ঘুমোতে গিয়েছিলাম রাত জাগবো না বলে, মিনিট পেরিয়ে ঘণ্টা চলে যায় ঘুম আসে না চোখে; বিছানা ছেড়ে জানালা খুলে তাকিয়ে দেখি আকাশ, ভারি হয়ে ওঠে হটাৎ করেই দখিনা শীতল বাতাশ; মেঘটা সরে উকি দিয়ে চাঁদ মুচকি মুচকি হাসে, জানান দেয় আঁধারে ঘেরা সে এখনো আছে পাশে; কথা বলি জলের ছোয়ায় যদিও কেউ শোনে […]

স্বপ্ন সম

ঘুড়িটা আকাশেই উড়ুক! ঘুড়ি উড়লেই তুমিও উড়বে- অশ্রুশিক্ত চোখ স্বপ্ন খেলুক, নীড়ে আসুক যত বেদনার নীল আবির । জমাট বেধেঁই নতুনত্বে পথ চলুক- জমকালো আলোকে ভূবন দেখুক! ঘুড়িটা তোমার আকাশেই উড়ুক! গোধুলির সাঝে ক্লান্ত হয়ে নব স্বপ্ন! প্রজাপতির বাহারি রঙ্গে পেখম মেলুক । ঘুড়িটা উড়ুক -স্বপ্ন সমস্ত আকাশ জুড়ে ।  ।

অনুকাব্য-৩

যেখানে শূন্যতা ভরপুর সেখানেই আমি ছুটে চলছি । এ তো মিথ্যে আশায় ছুটে চলা । ভাবনার বন্দরে শুধুই অপূর্ণতা । ঝাঁকে ঝাঁকে এসে ভির জমায় ।

অনুকাব্য-২

ব্যথিত আত্মার; জ্যান্ত নীল বেদনা গুলো হার মানে । মরে মরে বেঁচে যাওয়া মানুষ গুলোর কাছে ।

অনুকাব্য-১

রোদেলা দুপুরে, এলো মেলো বাতাসে । উড়ছে আমার ইচ্ছে ঘুড়ি । চেয়ে দেখ আকাশ পানে ।