চিরন্তন

 

“হ্যালো?”

“হ্যালো?”

“কে বলছেন?”

“আমি…চিনতে পারছো না!”

“ও…হ্যা…বলো”

“কেমন আছো?”

“ভাল”

“অফিস গিয়েছিলে?”

“হ্যা…এইমাত্র ফিরলাম”

“তবে তো টায়ার্ড…পরে ফোন করি?”

“না না…তেমন নয়…বলো”

“না…তুমি ফ্রেস হয়ে নাও…আমি পরে ফোন করছি”

 

আধঘন্টা পর…

 

“হ্যালো?”

“কিছু খেয়েছো?”

“হ্যা”

“তোমার খুব অসুবিধা হচ্ছে তাই না গো?”

“কেন?”

“এই যে আমি নেই তাই”

“না না…কিচ্ছু অসুবিধা হচ্ছে না…ভালই তো আছি”

“না, আমি জানি…কাজের লোকের রান্না তুমি খেতে পারো না…বুয়াদি তো একগাদা তেল আর হলুদ দিয়ে রান্না করে…তোমার খুব কষ্ট হচ্ছে না গো?”

“না…বলছি তো কিচ্ছু অসুবিধা হচ্ছে না…বুয়াদি এখন খুব ভালই রান্না করে…এইত গতকাল মাংসটা দারুন করেছিলো!”

“তাই!…আমার থেকেও ভাল?”

“তোমার থেকেও ভাল?…না…অতটা না হলেও দারুন”

“অফিসের জামাকাপড় কি খাটেই ফেলে রেখেছো? তোমার যা স্বভাব!”

“না…ঠিক জায়গাতেই রেখেছি”

“অফিস যাওয়ার আগে ফুলগাছ গুলোয় জল দিয়েছিলে?”

“হ্যা, রোজই তো দিই”

“জবাগাছটায় কুঁড়ি এসেছে? এদ্দিনে তো অনেক বড় হয়ে গেছে, না?”

“পাঁচটা কুঁড়ি এসেছে নতুন…দুটো ফুল ফুটেছিলো…ঝরে গেছে গতকাল”

“বাকি গাছগুলো ঠিক আছে?”

“সব ঠিক আছে…তোমার প্রিয় গোলাপ গাছটায় প্রচুর কুঁড়ি এসেছে”

“তাই!”

“হ্যা, এখানে থাকলে দেখতে পেতে”

“সেইত!…কি করি…আচ্ছা আজ তো মাসের ৪ তারিখ, মাসকাবারি বাজার করেছো? লিস্ট তো তোমায় প্রতিমাসেই বানিয়ে দিতাম, আছে একটাও?”

“হ্যা…থাকবেনা কেন?”

“তোমার যা ভুলো মন…ওই লিস্টের জিনিসপত্রই এনো কিন্তু একটু কম কম”

“ঠিক আছে, কাল আনবো”

“বুয়াদি আর ঠিকা কাজের মেয়েটার মাইনে দিয়েছো এমাসে?”

“হ্যা দিয়েছি”

“শোনো…ঠিকা কাজের মেয়েটার মাইনে বাড়িয়েছো তো? তোমার জামাকাপড় তো এখন ওই কেচে দেয়”

“হ্যা, ওকে এখন ১২০০টাকা দিই”

“ওকে বোলো মাঝে মাঝে যেন বুকশেল্ফ, আলমারি, খাট এগুলো একটু মুছে দিতে, যা ধুলো আসে বাড়িতে!”

“ঠিক আছে বলব”

“আর…আর…আর…ও হ্যা, বাবুর প্রাইভেট টিউটরের মাইনে দিয়েছো তো এমাসে?”

“হ্যা, দিয়েছি”

“বুয়াদি ওনাকে চা করে দেয়?”

“হ্যা, দেয়”

“তুমি বিরক্ত হচ্ছো, না গো?”

“কেন? বিরক্ত হব কেন?”

“এই যে আমি প্রায়ই তোমাকে এইসব জিজ্ঞেস করি তাই”

“না, বিরক্ত হচ্ছি না…তুমি বলো”

“সত্যি?”

“হ্যা, সত্যি”

“ও হ্যা…বাবুর স্কুলগাড়ির ভাড়া দিতে ভুলে যাওনি তো এমাসে?”

“না…দিয়েছি”

“আচ্ছা বাবু কিন্তু ইংরেজিতে কাঁচা হয়ে যাচ্ছে ধীরেধীরে…ওর ক্লাসটিচার আমায় ডেকে বলেছিলো একবার…তুমি ওর প্রাইভেট টিউটরকে বোলো যেন বাবুর ইংরেজিতে একটু জোর দেয়…মনে করে বোলো কিন্তু”

“ঠিক আছে বলব”

“আর ওর হাতের লেখা কিন্তু খারাপ হচ্ছে…গত ক্লাস টেস্টের দুটো পরীক্ষায় ৫ নম্বর করে কেটে নিয়েছিলো…তুমি রোজ অফিস থেকে ফিরে ওর হাতের লেখা আর অংকটা নিয়ে একটু বোসো প্লিজ”

“ঠিক আছে বসব”

“বসব বসব না…বসতেই হবে কিন্তু…সামনে ওর ফাইনাল পরীক্ষা”

“বললাম তো…বসব”

“হ্যা গো…আমায় ছাড়া তো বাবু কোনোদিনও থাকেনি…ভাত মাখিয়ে খাইয়ে দেওয়া থেকে জুতোর ফিতে বাধা, আমায় ছাড়া তো ও কিছু পারে না…শাড়ীর আঁচল মুড়ি দিয়ে না শুলে ওর ঘুমও আসে না…তুমি কি করে সামলাচ্ছো এতকিছু! বাবুর খুব কষ্ট হচ্ছে, না!”

“কষ্ট হবে কেন, আমি তো আছি…তুমি জানো না, ও এতদিনে অনেককিছু শিখেও ফেলেছে…এখন একা ঘুমুতে পারে…খেতে পারে…সব পারে…সব শিখে ফেলেছে…তুমি কিচ্ছু ভেবোনা…ও ভালই আছে”

“তাই! বাবু এতকিছু শিখে ফেলেছে! আমার তো বিশ্বাসই হচ্ছে না! এই, তুমি সত্যি বলছ তো?”

“মিথ্যে কেন বলবো তোমায়?”

“বাবু কত বড় হয়ে যাচ্ছে আমাকে ছাড়াই!…ওর আমার কথা মনে পড়ে? বলে আমার কথা কিছু?”

“বলবে না! সারাক্ষনই তো তোমার কথা বলে…’মা কেমন আছে…মা কবে আসবে…আমি মা’র কাছে যাব’…আরো কত কথা”

“হ্যা, তা তো বলবেই…এই, তুমি এবার ওকে আমার কাছে নিয়ে আসো না…আমার যে ওকে ছাড়া একদম ঘুম আসতে চায় না…আমি ওদেরকে বলে রাখবো…কিচ্ছু অসুবিধা হবে না…দুদিন শুধু আমার কাছে থাকবে…তারপর তুমি ওকে আবার নিয়ে যেও”

“সেটা হয় না ‘তিন্নি’…তুমি তো জানোই”

“কিচ্ছু অসুবিধা হবে না দেখো…শুধু তো দুটো দিন”

“বাবু ওখানে গিয়ে থাকতে পারবে না ‘তিন্নি’…তোমায় তো কতবার বলেছি…বাবু হাসপাতালে একদম যেতে চায় না…ওই ওষুধ ওষুধ গন্ধ ও একদম সহ্য করতে পারে না…মনে নেই, ওর দিদুন যখন হাসপাতালে ভর্তি ছিল ও কিছুতেই যেতে চাইত না?”

“হ্যা, মনে আছে…সেবার তো বাড়ী গিয়ে কতবার বমি করলো…আচ্ছা এককাজ করলে হয় না, তুমি ওকে নিয়ে আসো, আমি বাইরে গিয়ে ওকে দেখে আসব…ওর ভেতরে আসতে হবে না”

“সেটা ওর পক্ষে ভাল হবে না ‘তিন্নি’…কেন বুঝতে পারছো না…হাসপাতাল জায়গাটাই ওর কাছে একটা ভয়ের ব্যাপার…তাছাড়া তোমাকে ওখানে ওই অবস্থায় দেখলে ওর পক্ষে সেটা ভালো হবে বলো? তুমি কিচ্ছু চিন্তা কোরোনা…ও আমার কাছে আছে…ভাল আছে”

“হ্যা, তা তুমি ঠিকই বলেছ…ওর এখানে আসাটা ঠিক হবে না…আচ্ছা শোনো, খুব যদি অসুবিধা হয় ওকে মিতার কাছে রেখে এসো ক’দিন…মিতুমাসী মিতুমাসী বলে তো সারাক্ষন পাগল করে দিত!”

“তুমি আর ভেব না বাবুকে নিয়ে…ও আমার কাছেই থাকবে…ভালো থাকবে”

“আচ্ছা ঠিক আছে…এই শোনো, একটা কথা বলবো?”

“বলো”

“তুমি রাগ করবে না তো?”

“রাগ করব কেন!”

“না, আগে বলো রাগ করবে না?”

“না, করব না…এবার বলো”

“ও আর যোগাযোগ রাখে না তো?”

“কে? কার কথা বলছো?”

“বুঝতে পারছো না কার কথা বলছি?”

“না”

“অনিমা”

“‘তিন্নি’…আবার শুরু করলে!”

“তুমি বলেছো কিন্তু রাগ করবে না…এমনি জিজ্ঞেস করছি…বলোনা, আর ফোনটোন কিছু করে না’ত তোমায়?”

“তোমায় আর কতবার বলবো!…না, ও আর ফোনটোন কিচ্ছু করে না…কোনো যোগাযোগ রাখে না…আমিও না”

“হ্যা তা জানি…তাও ভাবছিলাম যে আমি নেই এখন যদি আবার – – -”

“আবার কি?”

“না, কিছু না…তুমি বোঝনা গো, এই ধরনের মেয়েরা ভালো হয় না…নিজের স্বার্থের জন্য এরা সব করতে পারে…ভীষন ডেসপারেট হয়…তাই ভাবছিলাম – – -”

“তুমি পারোও বটে”

“তোমার তো মনে আছে তুমি বাবুর মাথায় হাত রেখে কথা দিয়েছিলে আমায় যে আর ওর সাথে কোনো সম্পর্ক রাখবে না…বাবু এখন বড় হচ্ছে…ও কিন্তু অনেক কিছু বোঝে এখন”

“দ্যাখো, অনিমার সাথে আমার আর কোনো যোগাযোগ নেই অনেকদিন হয়ে গেল…তোমায় তো সব বলেছি…শেষবার যখন কথা হয়েছিলো ও আমায় কথা দিয়েছিলো, আমাদের মধ্যে, আমি তুমি আর বাবুর মধ্যে ও আর আসবে না…ওকে বুঝিয়েছিলাম বিয়ে করে নিতে, বলেছিলো ভেবে দেখবে”

“তুমি তো আমায় সবই বলেছো, আমি ভুলিনি…ওকে নিয়ে আমাদের ভেতর কি অশান্তিই না হয়েছে একসময় ভাবো!…আমাদের দুজনের ঝগড়ার মাঝে বাবু কেমন পাথরের মত দাঁড়িয়ে থাকত!…বোবা হয়ে…চোখ বড়বড় করে…ওর ওই সরল নিষ্পাপ চোখের দিকে আর তাকাতে পারতাম না”

“আমদের ভেতর এ সমস্যা আর নেই এখন…তুমি এসব নিয়ে আর ভেবনা”

“আমি জানি, বিশ্বাস করি তুমি ভেতরে ভেতরে একজন ভালো মানুষ…ভালো মনের মানুষ…আর অনিমার ব্যাপারটা তোমার জীবনের একটা ছোট্ট ভুল ছিলো…জানি তুমি সেই ভুল আবার করবে না…কিন্তু তাও কেমন জানি ভয় ভয় করে গো…মনে হয় আবার খারাপ কিছু একটা ঘটবে”

“‘তিন্নি’…অনিমা একটা বাজে চ্যাপ্টার ছিলো…কিন্তু ওটা অতীত…অনেক ঝড় বয়ে গেছে আমাদের উপর ও’র কারনে…তুমি কঠিন হাতে সব সামলেছো…এখন সব ঠিক হয়ে গেছে… আমি ভুল করেছিলাম…বুঝতে পেরেছি…শুধরে নিয়েছি…তুমি ওসব নিয়ে আর ভেবো না”

“ঠিক আছে…আচ্ছা আমি কবে বাড়ী যেতে পারব? ওরা কবে আমায় ছেড়ে দেবে?”

“খুব তাড়াতাড়ি…তুমি শুধু অষুধগুলো ঠিকঠাক করে খেয়ে যেও…দেখবে খুব তাড়াতাড়ি ওরা তোমায় ছেড়ে দেবে”

“তুমি তো কবে থেকেই একথা বলে আসছো…ওরা যা যা অষুধ খেতে দেয় আমি তো সবই খাই…সারাদিন ওই ছোট্ট একটা ঘরে শুয়ে-বসে থাকতে কারো ভালো লাগে!…আমার একদম আর এখানে ভালো লাগছে না…তুমি আমায় নিয়ে যাও…আমি বাড়ীতে অনেক ভালো থাকবো”

“না ‘তিন্নি’, সেটা হয় না…গতবার তোমার কথায় বাড়ী এনে তোমাকে শেষে কি অবস্থা হয়েছিলো মনে আছে না তোমার?”

“হ্যা, মনে আছে…আচ্ছা বলোতো আমার কি হয়েছে?…আমায় কেন ওরা এখানে ভর্তি করে রেখেছে এতদিন?”

“সেরকম কিচ্ছু হয়নি তোমার…তুমি শুধু একটু অসুস্থ…ক’দিন পর ঠিক হয়ে যাবে…তারপর আমি তোমায় নিয়ে আসব”

“কিন্তু ওরা যে বলে আমার নাকি ভীষন কঠিন এক রোগ হয়েছে…সারবে কি সারবে না ঠিক নেই…কি যেন একটা নাম বলে…হ্যা, মনে পড়েছে…ব্রিফ সাইকোটিক ডিস-অর্ডার…তাই?”

“তোমায় বলেছে ওরা একথা?”

“না, ওরা নিজেরা বলাবলি করছিলো, আমি শুনে ফেলেছি…আর জানো, ওরা বাবুর ছবিটা আমার ঘর থেকে সরিয়ে নিয়েছে…ওই যে, তোমার আর বাবুর দুটো ছবি নিয়ে এসেছিলাম না এখানে আসার সময়?”

“হ্যা”

“বাবুর ছবিটা ওরা নিয়ে গেছে…বলে নাকি বাবুকে ভুলে যেতে…কি সব বলে তাই না!…বাবুকে আমি ভুলতে পারি বলো!”

“ওরা হয়ত ঠিকই বলে ‘তিন্নি'”

“কি বলছো যাতা এসব!”

“বাবুকে তোমার ভুলতে হবে”

“তুমিও – – -”

“হ্যা, আমিও…এই দশ মাস ধরে আমিও…বাবু আর নেই ‘তিন্নি'”

“প্লিজ এসব বোলো না”

“এগারো মাস আগে…মনে করো”

“প্লিজ”

“বাবু স্কুলগাড়ী থেকে নামলো…তুমি বাড়ীর গেটে দাঁড়িয়েছিলে…বাবু রাস্তা পেরোচ্ছিলো – – -”

“না”

“মনে করো…বাবু রাস্তা পার হচ্ছিলো…একটা স্কুলবাস…জোরে ব্রেক কষে দাঁড়ালো – – -”

“না…না…শাট আপ”

“তোমার চোখের সামনে…বাবুর টিফিন বক্স…জলের বোতল…স্কুলব্যাগ…সব ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাস্তায়…মনে করো ‘তিন্নি'”

“শাট আপ…শাট আপ”

“বাবু উপুড় হয়ে পড়েছিলো রাস্তায়…সাদা জামা…লাল হয়ে গেছিলো – – -”

“শাট আপ…প্লিজ সিদ্ধার্থ…শাট আপ”

“‘তিন্নি’, মনে করো…এ্যাম্বুলেন্স…বাবুকে নিয়ে ওরা চলে গেলো”

“তুমি থামবে না!”

“‘তিন্নি’, আমাদের আবার সন্তান হবে…আবার একটা ‘বাবু’ হবে আমাদের…সব ঠিক হয়ে যাবে আবার…তুমি একটু মনে করো…তুমি যত তাড়াতাড়ি মেনে নেবে ‘বাবু’ নেই তত তাড়াতাড়ি তুমি সুস্থ হবে…প্লিজ মনে করার চেষ্টা করো”

“শেষবার বলছি তুমি থামবে না?”

“তোমাকে মেনে নিতেই হবে ‘তিন্নি’…বাবু নেই…আর কোনোদিনও আসবে না…বাবু মারা গেছে…এগারোমাস আগে”

“বাবু আছে আমি জানি…বাড়ী গেলেই ওকে দেখতে পাবো…সব তোমার শয়তানী…ভাবো আমি কিছু বুঝি না…সব বুঝি আমি…আমি বাড়ী না থাকলে তুমি আবার ওই অনিমার সাথে থাকতে পারবে…সব তোমার চালাকি…তুমি ইচ্ছে করে আমায় এখানে ফেলে রেখেছো”

“কি যাতা বলছো ‘তিন্নি’!…মনে করো বাবুর স্কুলে তুমিও গেছিলে…বাবুর একটা বড় ছবি টাঙানো ছিলো”

“শাট আপ”

“মালা পরানো…বাবুর সব বন্ধুরা এসে একে একে মালা পরিয়ে দিচ্ছিলো”

“শাট আপ…শাট আপ”

“ছবিটার ওপরে বড় বড় করে লেখা ছিলো – – -”

“শাট আপ”

“সন্দীপন বসুর অকাল প্রয়ানে – – -”

“শাট আপ…শাট আপ…শাট আপ…শাট…আআআআআপ”

 

 

“নার্স…২ সিসি লোরাজেপাম…ক্যুইক”

জীবনের মুক্ত আবেগ উপভোগ করতেই একটু লেখালিখির চেষ্টা করি...কোনোভাবেই প্রফেশনাল লেখক নই...তাই যেকোনো রকমের সমালোচনা সমাদরে গ্রহন করব...

চিরন্তন” সম্পর্কে ২টি মন্তব্য

  1. আমার মনে হচ্ছে এটি একটি ভারতীয় বাংলা সিনেমা থেকে ধারণাটা নেয়া হয়েছে। সিনেমাটা অবশ্য আমি কিছুদিন আগে দেখেছিলাম। নায়ক মনে হয় মিটুন।
    গল্পটা অনেক সুন্দর।…..
    ধন্যবাদ……

    1. হতে পারে…অসম্ভব কিছু নয়…কারন concept টাও নতুন কিছু নয়…কিন্তু exeptional কিছু না হলে ভারতীয় বাংলা সিনেমা আমি দেখি না প্রায়…আর সেরকম হলে আমি প্রথমেই জানিয়ে দিতাম…আসলে কাহিনীর শুরুটা আমার খুব পরিচিত এবং ঘনিষ্ট একজনের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত…তবে শেষটা তারও এতটা tragic নয়…ওটা প্রক্ষেপিত…বাদবাকি conversation এর মাধ্যমে কাহিনীবিন্যাস বা ছোটখাটো ঘটনাগুলো একান্তই মৌলিক…কিন্তু আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ,at least আপনি কিছু তো comment করলেন…আমি তো এটাই আশা করি আন্তরিকভাবে…ভবিষ্যতেও করবেন

মন্তব্য করুন