অভিমানের ডায়েরি।

আজ 12 জুন । তার জন্মদিন । তার
সাথে আমার অল্প কয়েক দিনের
পরিচয় । এই সময়ের মধ্যেই আমরা দুজন
দুজনকে অনেক কাছের ভাবতে শুরু
করেছি । বুঝতে পারলাম আমি ও
সে তাকে ও
আমাকে ভালোবেসে ফেলেছি ।
সে ভাবলো আমি তার জন্মদিনের
কথা মালুম ভুলে গেছি, আমিও সেই
সুযোগে তাকে একটু তেলে বেগুন
অবস্থা করতেছি | বারবার
বলেতেছি ইশঃ ডিসেম্বর
মাসটা যে কবে আসবে তোমার
বাথডে তে একটু মজা করব ।
সে গোখরা সাপের
মতো ফুলে ফেঁপে শুধু হুম হুম
বলে যাচ্ছে ।
যা হোক আজ তার 21 তম জন্মদিন । ওহ..
প্রকৃত প্রেমিকরা প্রেমিকার বয়স
মনে রাখে না তার জন্মতারিখটাই
মনে রাখে ।
তারপরও বলার একটা বিশেষ কারণ
আছে । প্রেমিক
হিসেবে আমি তাকে কি গিফ্ট
করতে পারি সেটা ভেবেই
রজনী কেটে গেল কিন্তু ডিসিশন
পেন্ডিং ।
অবশেষে ভাবনা কুল খুঁজে পেল ।
তাকে যাই দেই না কেন সাথে 21
টা রক্ত গোলাপ দেব । সেই
সাথে তার জন্মদিন ঊপলক্ষ্যে 21
টা কিস চাইব আমি ।
কিছুক্ষন
আগে দিনিতা আমাকে ফোন
করে বল্লো আমি আগামীকাল
বাসায় যাব, মা বাবা খুব
করে বল্লো যেতেই হবে ।
তাছাড়া কাল একটা স্পেশাল
ডে । আমি আগ্রহের সহিত
জিজ্ঞেস করলাম কি?
সে বল্লো না ।
দিনিতা ভাবল আমি তো তার
জন্মদিনের কথা ভূলেই গেছি তাই
সে তার জন্মদিনের অনুষ্ঠান
বাসায় করার সিদ্ধান্ত নেয় । যেই
ভাবনা সেই কাজ আমার অনুরোধ
করা সত্যেও তার সিডিঊল
পরিবতর্ন হলো না ।
এখন রাত 12 টা 1 মিনিট ।
তাকে ফোন করে জন্মদিনের ঊইস
করলাম, পাগলীটা প্রায়
কান্না করে দিল । বল্লো শয়তান,
আমি ভাবলাম তোমার মনেই নেই,
তোমাকে এত্তগলো ঊম্মা,
ব্লা ব্লা ব্লা ।
আমি মোবাইলের এপার থেকে শুধু
তার ফিলিংসটা অনুভব করার
চেষ্টা করতে লাগলাম ।
পর দিন সে বাসায় চলে গেলো,
আমার গোলাপ কেনার
ইচ্ছা হারিয়ে গেল কিন্তু তার
কাছ থেকে যে 21 টা মূল্যবান
জিনিস দাবী করার
কথা সেটা আর হারায়নি ।
আজ দিনিতার সাথে তার
ঝগরা হলো ।
দেখা করতে গিয়ে কিছুক্ষন পর
কাঊকে কেঊ
না বলেই দুজন চলো । তার
হৃদয়ে আজ রক্তক্ষরন হচ্ছে কিন্তু
কাঊকে বলতে পারছে না ।
নিজের ডায়েরিতে তাই
আনমনে লিখে যাচ্ছে কথাগুলো অনয় ।

মন্তব্য করুন